গতকাল বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা সেতুর পরীক্ষামূলক পাইল বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের মাওয়া চৌরাস্তা বরাবর পুরনো ফেরিঘাট সংলগ্ন স্থান দিয়ে ২ নং ট্রায়াল পাইলের প্রাথমিক কাজ শুরু করা হয়। প্রথম ধাপে ২ নং ট্রায়াল পাইলটিতে রোটারিরিগ মেশিন দিয়ে মাটি খুঁড়ে ড্রিলিং কাজ শুরু করা হয়েছে। এরই সাথে সাথে এখানে ঢালা হচ্ছে সোডিয়াম বেন্টোনাইট জাতীয় এক ধরনের কেমিক্যাল জাতীয় পাউডার। মোট ৩ দিন ধরে ড্রিলিং কাজ শেষে মাটির নিচে ১৪০ মিটার গভীরতায় বসানো হবে কেজিন পাইল। কেজিন পাইল বসানোর পরই পাইলের ঢালাই দেয়া হবে। পরে এটি ৪ হাজার টন লোড ধারণ করতে সক্ষম কিনা তা পরীক্ষা করা হবে। এ থেকেই নিশ্চিত হওয়া যাবে মূল পাইল স্থাপনের নমুনা। এর আগে এখানে ৩৭.৫ মিটার গভীরতায় ১৬টি সাপোর্ট অ্যাঙ্কর পাইল স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।
গত ১ মার্চ সকালে মাওয়া চৌরাস্তা পয়েন্টে অ্যাঙ্কর পাইল বসানোর কাজ শুরু হয়। এই ট্রায়াল পাইল স্থাপনের ল্েযই ২ নং পিলার পয়েন্টে ভারী যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়। ক্রেনের মাধ্যমে বিশাল হ্যামার দিয়ে এই পাইল স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু হলেও ট্রায়াল পাইল স্থাপন করে পরীা শেষেই ১৬টি অ্যাঙ্কর পাইল উঠিয়ে নেয়া হবে।
এই অ্যাঙ্কর পাইল স্থাপন হবে অপর একটি পিলারের পয়েন্টে। সেতুর ভিত্তি নির্মাণের জন্য মাটি পরীা শেষেই পর্যায়ক্রমে সব পয়েন্টে পাইলিং করা হচ্ছে। মূল সেতুর ৪০টি পিলারে ৬টি করে ২৪০ এবং দুই পাড়ের দুইটিতে ১২টি করে ২৪টিসহ ২৬৬টি পাইল করতে হবে। ৬৬টি পিলার দাঁড়াবে এসব স্থানেই। তবে মাটির গঠন প্রকৃতি বিচার করে চূড়ান্ত করা ডিজাইনে পদ্মার তলদেশের মাটির বুক চিরে শত শত ফুট নিচে পর্যন্ত পৌঁছে দেয়া হবে সেতুর মূলভিত্তি (পাইল)।



Your point of view caught my eye and was very interesting. Thanks. I have a question for you.