নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা ও ইসলামকে নিয়ে আব্দুল গাফ্ফার চৌধূরীর চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যের পর সবখানে যখন ক্ষোভের ঝড় বইছে এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নিউইয়র্ক শাখা গাফফার চৌধূরীকে নিয়ে রোববার বিকেলে স্হানীয় হোটেল নূরজাহানে ইফতার পার্টির আয়োজন করে। কিন্তু মানুষের ক্ষোভ টের পেয়ে হোটেল মালিক যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টি তার রেস্টুরেন্টে আয়োজনের অপারগতা প্রকাশ করে।

বিক্ষুব্ধ জনতার একাংশ

(জুতা হাতে বিক্ষুব্ধ জনতা)

পরে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ তড়িঘড়ি করে গোপনে কয়েকটি মিডিয়া নিয়ে নিউইয়র্কের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড আ্যাভিনিউতে অবস্হিত স্হানীয় আওয়ামী লীগের কার্য্যালয় ( সন্দ্বীপ এসোসিয়েশনের বেসমেন্ট অফিসে) একত্রিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু আছরের নামাজের পর-পর বিভিন্ন মসজিদের মুসল্লীরা বিষয়টা জেনে নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের অফিস ঘেরাও করে। মাত্র ৩০ মিনিটে সেখানে বিপূল মানুষ জড়ো হয়ে যায়। আব্দুল গাফফার চৌধুরী নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের অফিসের নিকটবর্তী হওয়ার সাথে সাথে জড়ো হওয়া জনতা তাকে ধাওয়া দেয়। অবস্থা বেগতিক দেখে গাফফার চৌধুরীর গাড়ী দ্রুত ঘুরে পালিয়ে যায়।

বিক্ষুব্ধ জনতার একাংশ

ঐ অফিসে জড়ো হওয়া আওয়ামিলীগের নেতা-কর্মীরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে পরে সাহায্যের জন্য পুলিশ কল করে। পরে পুলিশের সহায়তায় লীগ কর্মীরা বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়।

পুলিশের অনুমতি না থাকায় এবং উপস্থিতদের অভিযোগ শুনে পুলিশ গাফ্‌ফার চৌধূরীর অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করে।

আব্দুল গাফফার চৌধুরীকে ধাওয়ার সময় এসময় ও জনতা বিক্ষোভ-স্লোগানে ফেটে পড়ে নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম নবীকে লাঞ্ছিত করে।