আওয়ামী লীগের নেতাদের অনেকেই লাভের রাজনীতি করেন। বিএনপি-জামায়াতের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে দলের নেতাদের মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় লোহাগাড়ার একটি কমিউনিটি সেন্টারে উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সাংসদ আবু রেজা মো. নেজামউদ্দিন নদভী।
সভায় তৃনমূল নেতারা অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবির যখন ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তখন দলের কোনো নেতা তাঁদের খবর নেয়নি। দীর্ঘদিন ধরে অনেক ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে সম্মেলন হয় না। অনেক এলাকায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে দলকে জেতাতে নেতাদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। ছাত্রলীগকে দলীয় নীতিমালা মেনে রাজনীতি করতে হবে।
সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মো. ইদ্রিচ, মির্জা কচির উদ্দিন চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বিজয় বড়ুয়া, সালাউদ্দিন হিরু, রিদুয়ানুল হক, মিজানুর রহমান প্রমুখ।
লাভের রাজনীতি করেন অনেকেই
Advertisement728 × 90#ad-article-top
Advertisement300 × 250#ad-article-top
Advertisement300 × 250#ad-article-middle
Advertisement728 × 90#ad-article-bottom
Advertisement320 × 50#ad-article-bottom

I don’t think the title of your article matches the content lol. Just kidding, mainly because I had some doubts after reading the article.