প্রতিবছরের মতো এবারও গতকাল শুক্রবার ভোরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র অষ্টমীস্নান শুরু হয়েছিল। ব্রহ্মপুত্র নদে হাজারো পুণ্যার্থীদের পুণ্যস্নান উপলক্ষে বৃহস্পতিবার থেকেই নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার লাঙ্গলবন্দে হাজার হাজার পুণ্যার্থীর সমাগম হয়। যতই বেলা বাড়তে থাকে ততই মানুষের উপস্থিতি আরও বাড়তে দেখা গিয়েছিল। লাখো মানুষের ভীড়ে মুখরিত হয়ে উঠে রাজঘাট-সংলগ্ন লাঙ্গলবন্দ বাজারের তিন রাস্তার মোড়। হঠাৎ করে শুনা যায় ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার শব্দ। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি, ছোটাছুটি। এতে করে একের পর এক নারী-পুরুষ মাটিতে লুটিয়ে পরে। পদদলিত হয় শত শত মানুষ। প্রায় ৩০ মিনিটের এই হুড়োহুড়িতে ১০ জনের মৃত ঘটে। আহত হয় আরও অনেকে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সাতজন নারী ও তিনজন পুরুষ ছিল।
নিহতরা হলেন, মাদারীপুরের নিতাই চন্দ্র দাশ ও বাবুল বিশ্বাস, কুমিল্লা জেলার চান্দিনার রঞ্জিত মল্লিক, দাউদকান্দির কানন বালা, মেঘনা থানার তুলসী দেবনাথ, রাজধানীর ধানমন্ডি- জিগাতলার ভগবতী দাশ, লালবাগের রাহী, মানিকগঞ্জের মালতী দাস, নোয়াখালীর কবিরহাটের ভানুমতি দাশ, পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার সুচিত্রা সেন।
উল্লেক্ষ যে, ‘হে মহাভাগ ব্রহ্মপুত্র, হে লৌহিত্য তুমি আমার পাপ হরণ কর’- এ মন্ত্র উচ্চারণ করে দূর্বা ঘাস, বেল পাতা, কলা, আম, ডাব ও ফুল দিয়ে পাপ মোচনের বাসনায় ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীরা ব্রহ্মার কাছে কৃপা প্রার্থনা করতে স্নান করতে আসেন।

Can you be more specific about the content of your article? After reading it, I still have some doubts. Hope you can help me.