পারস্পরিক শুল্ক চুক্তিটি কাঠামোগতভাবে ভারসাম্যহীন, সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়াই স্বাক্ষরিত এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী—এই যুক্তি দেখিয়ে এক আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাংলাদেশের হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। আবেদনে চুক্তিটিকে অযৌক্তিক, কাঠামোগতভাবে ভারসাম্যহীন এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে অভিহিত করা হয়েছে। [source]
আইনজীবী মোহাম্মদ মাইদুল ইসলাম পলক এই রিট আবেদনটি দায়ের করেছেন, যা বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানির জন্য উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। [source]
রিটে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবদের বিবাদী করা হয়েছে। [source]
আবেদনে যুক্তি দেখানো হয়েছে যে, সংবিধান-নির্দেশিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এটি দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণ রক্ষায় ব্যর্থ। [source]
পলক বাংলাদেশের ওপর আরোপিত “অসম শুল্ক কাঠামো”, নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া, এবং স্থানীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশের ওপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। [source]
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক সংক্রান্ত এই চুক্তি গত বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া নয় মাসব্যাপী আলোচনার পর গত ৯ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরিত হয়। [source]
আবেদনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য: চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ১৩১টি শর্ত পরিপালন করতে হবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ছয়টি শর্তে আবদ্ধ। [source]
সূত্র
- https://en.prothomalo.com/bangladesh/uaek0nj4q2 — রিট আবেদন, আবেদনকারীর পরিচয়, আদালতের বেঞ্চ, বিবাদী, চুক্তির বিবরণ, শর্তাবলি ও স্বাক্ষরের তারিখ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য
এই খবরটি উদ্ধৃত উৎসগুলির সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে AI-এর সহায়তায় তৈরি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মূল উৎস থেকে যাচাই করুন।
