বিশ্লেষণ | অভিবাসন
ওয়াশিংটন, ২৪ মে ২০২৬ — যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী ভিসায় থাকা বিদেশি কর্মীদের গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথ কঠিন করা নিয়ে চলতি সপ্তাহে বড় ধরনের উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। চারদিকে সমালোচনার মুখে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা বিভাগ (ইউএসসিআইএস) কিছুটা অবস্থান বদলেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘অর্থনৈতিক সুবিধা’ এবং ‘জাতীয় স্বার্থ’—এই দুটি শর্ত পূরণ করতে পারলে কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে থেকেই আবেদন চালিয়ে যেতে পারবেন।
এই পরিবর্তনে স্বস্তি ফিরেছে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত প্রায় ১০ লাখ এইচ-১বি ভিসাধারী পেশাজীবীর মধ্যে। এ ছাড়া এফ-১ ভিসায় থাকা শিক্ষার্থী এবং অন্যান্য অস্থায়ী ভিসাধারীদের অনেকেও কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছেন। এই ভিসাধারীদের বড় অংশ ভারতীয়, বাংলাদেশি ও অন্য দক্ষিণ এশীয় দেশের নাগরিক।
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেওয়া ১৪ লাখ গ্রিন কার্ডের মধ্যে ৮ লাখ ২০ হাজারের বেশি দেওয়া হয়েছিল ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস’ পদ্ধতিতে। অর্থাৎ আবেদনকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থেকেই গ্রিন কার্ডের আবেদন করেছিলেন।
কী হয়েছিল
গত ২১ মে ইউএসসিআইএস একটি নতুন নির্দেশনা জারি করে। এর শিরোনাম ছিল—‘স্থায়ীভাবে বসবাসের মর্যাদা পরিবর্তন (অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস) একটি বিশেষ অনুগ্রহের বিষয়, এটি কোনো স্বাভাবিক অধিকার নয়’।
পরের দিন ইউএসসিআইএস মুখপাত্র জ্যাক কাহলার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘‘এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ীভাবে থাকা যেকোনো বিদেশিকে গ্রিন কার্ড চাইলে নিজ দেশে ফিরে গিয়েই আবেদন করতে হবে। কেবল বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রম হতে পারে।’’ তাঁর মতে, এতে অভিবাসনব্যবস্থার ‘ফাঁকফোকর’ বন্ধ হবে।
এই বক্তব্যের পর মুহূর্তেই অভিবাসী সম্প্রদায়, প্রযুক্তি খাত ও আইনজীবীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে আশঙ্কা করেন, হাজার হাজার পেশাজীবীকে পরিবার নিয়ে নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।
কিন্তু পরিস্থিতি বুঝে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইউএসসিআইএস কিছুটা পিছু হটে। মুখপাত্র কাহলার মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজকে বলেন, ‘‘যাঁদের আবেদন অর্থনৈতিক সুবিধা দেয় বা জাতীয় স্বার্থে পড়ে, তাঁরা সম্ভবত নিজেদের বর্তমান পথেই চলতে পারবেন। বাকিদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের বাইরে থেকে আবেদন করতে বলা হতে পারে।’’ তবে ‘অর্থনৈতিক সুবিধা’ আর ‘জাতীয় স্বার্থ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে, তা সংস্থাটি স্পষ্ট করেনি।
আইনজীবীরা কী বলছেন
মার্কিন অভিবাসন আইনজীবীদের মতে, প্রেস বিজ্ঞপ্তি যতটা ভয়াবহ শোনাচ্ছিল, মেমোতে আসলে ততটা কঠোর কিছু লেখা নেই।
ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক আইন সংস্থা টাফাপলস্কি অ্যান্ড স্মিথ-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ‘‘প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে যা বলা হয়েছে, মেমোতে তা বলা নেই। মেমো অনুযায়ী সব আবেদনকারীকে দেশের বাইরে থেকে আবেদন করতে হবে—এমন কোনো কথা নেই। অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস এখনো বৈধ পথ।’’
আরেক আইন সংস্থা বাউন্ডলেস ইমিগ্রেশন জানিয়েছে, তারা আগের মতোই গ্রিন কার্ডের আবেদন জমা দিতে থাকবে।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত অভিবাসন আইনজীবী মার্থি ল ফার্ম তাদের বিশ্লেষণে বলেছে, এই নির্দেশনা নতুন কোনো আইন তৈরি করেনি। বরং এটি অভিবাসন কর্মকর্তাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস কোনো ‘অধিকার’ নয়, এটি ‘প্রশাসনিক অনুগ্রহ’।
অভিবাসন আইনজীবী টড পোমার্লো এবিসি নিউজকে বলেছেন, ‘‘একটি কলমের আঁচড়ে আপনি কংগ্রেসের আইন বদলাতে পারেন না। এটি অবৈধ এবং আদালতে এটি বন্ধ হবে।’’
বস্টন কলেজ ল স্কুলের অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ড্যানিয়েল ক্যানস্ট্রুম টাইম ম্যাগাজিনকে বলেন, ‘‘বেশিরভাগ আইনজীবী তাঁদের ক্লায়েন্টদের পরামর্শ দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থেকেই আবেদন চালিয়ে যেতে। কারণ একবার দেশ ছেড়ে গেলে মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর আটকে থাকার ঝুঁকি আছে।’’
ভারতীয়দের জন্য বড় বিষয়, বাংলাদেশিদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ওয়ান নিউজ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় এইচ-১বি কর্মীরা ‘ইবি-২’ ও ‘ইবি-৩’ শ্রেণিতে গ্রিন কার্ডের জন্য সাধারণত ১০ থেকে ১৫ বছর অপেক্ষা করেন। এই দীর্ঘ অপেক্ষার সময় তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে থেকে কাজ করেন, সন্তানদের স্কুলে পাঠান, বাড়ি কেনেন। নতুন নিয়মে এই জীবন ছেড়ে দেশে ফিরে যেতে হলে পরিবার, চাকরি ও সন্তানের পড়াশোনায় বড় ক্ষতি হতো।
বাংলাদেশিদের সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে—যেমন সিলিকন ভ্যালি, নিউইয়র্ক, বস্টন ও টেক্সাসে—হাজার হাজার বাংলাদেশি পেশাজীবী কাজ করেন। তাঁদের মধ্যে আছেন সফটওয়্যার প্রকৌশলী, চিকিৎসক, গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
বাংলাদেশিদের মধ্যে ‘ইবি-২ এনআইডব্লিউ’ (ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েইভার) শ্রেণিতে আবেদনের প্রবণতা সম্প্রতি বেড়েছে। এই শ্রেণিতে নিয়োগকর্তার (এমপ্লয়ার) স্পনসরশিপ লাগে না। নতুন নিয়মে ‘জাতীয় স্বার্থ’-এর কথা বলা হয়েছে—তাই এনআইডব্লিউ আবেদনকারীরা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারেন।
কারা স্বস্তিতে, কারা ঝুঁকিতে
আইন বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা অনুযায়ী, যাঁরা তুলনামূলক নিরাপদ অবস্থানে আছেন—
- এইচ-১বি, এল-১, ও-১, ই-৩, টিএন ভিসাধারীরা। এই শ্রেণিগুলোতে ‘দ্বৈত উদ্দেশ্য’ (ডুয়াল ইনটেন্ট) অনুমোদিত। অর্থাৎ অস্থায়ী ভিসায় থেকেও গ্রিন কার্ডের আবেদন করা যায়।
- মার্কিন নাগরিকের তাৎক্ষণিক স্বজন। স্বামী, স্ত্রী, অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান ও বাবা-মা।
- ইবি-১ এবং ইবি-২ এনআইডব্লিউ আবেদনকারী। যাঁদের কাজ ‘জাতীয় স্বার্থে’ পড়ে।
- যাঁদের অভিবাসন ইতিহাস পরিষ্কার। দীর্ঘদিন নিয়ম মেনে আছেন।
ঝুঁকিতে যাঁরা—
- ওপিটি বা এসটিইএম এক্সটেনশনে থাকা এফ-১ শিক্ষার্থী। তাঁরা যদি কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ডের পথে যান।
- ভিজিটর ভিসা (বি-১/বি-২) থেকে বিয়ের ভিত্তিতে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারী।
- যাঁদের অভিবাসন ইতিহাসে ছোটখাটো সমস্যা আছে। যেমন—ভিসার মেয়াদ শেষে থেকে যাওয়া, স্ট্যাটাসে গ্যাপ।
- পরিবারভিত্তিক আবেদনকারী যাঁরা দ্বৈত উদ্দেশ্যের ভিসায় নেই।
যাঁরা ‘অ্যাডভান্স প্যারোল’ নিয়ে দেশের বাইরে গেছেন, তাঁদের ফিরে আসা বা মামলা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হতে পারে বলে আইন সংস্থা এলিস ল সতর্ক করেছে।
কনস্যুলার প্রক্রিয়ার ঝামেলা
যাঁদের দেশে ফিরে আবেদন করতে হবে, তাঁদের জন্য বড় সমস্যা হবে অপেক্ষার সময়। বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক মার্কিন দূতাবাসে ভিসা সাক্ষাৎকারের জন্য ৬ মাস থেকে ২ বছর অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে নতুন গ্রিন কার্ডের আবেদনের চাপ যোগ হলে অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হবে।
চাকরিজীবীদের জন্য এই দীর্ঘ অপেক্ষা মানে চাকরি হারানোর ঝুঁকি। পরিবারের জন্য মানে সন্তানের পড়াশোনায় বিঘ্ন। আরেকটি বড় সমস্যা—একবার দেশের বাইরে গিয়ে যদি কনস্যুলার অফিসার ভিসা দিতে অস্বীকার করেন, তাহলে আপিলের কার্যকর কোনো পথ নেই।
প্রযুক্তি খাতের উদ্বেগ
ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালি, সিয়াটল, অস্টিন ও বস্টনের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এই নিয়ম নিয়ে উদ্বিগ্ন। গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যাপলসহ বড় কোম্পানিগুলোর এইচ-১বি কর্মীর বড় অংশ ভারতীয়।
মার্কিন গণমাধ্যম ‘সেমাফোর’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘এইচ-১বি কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে এআই স্টার্টআপ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উচ্চদক্ষ প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে।’’ মার্কিন এনপিআরের প্রতিবেদক মার্টিন কাস্তে বলেছেন, ‘‘‘অর্থনৈতিক সুবিধা’ ও ‘জাতীয় স্বার্থ’-এর ছাড় হয়তো প্রযুক্তি খাতের এইচ-১বি কর্মীদের জন্য সুসংবাদ হতে পারে।’’
এখনো অনেক প্রশ্ন
এই নিয়মের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো—অস্পষ্টতা। ‘অর্থনৈতিক সুবিধা’ আর ‘জাতীয় স্বার্থ’ বলতে কী বোঝায়, তা ইউএসসিআইএস কোথাও বলেনি। ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ কী, তা-ও স্পষ্ট নয়। কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত বিবেচনার ওপর সব কিছু ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউএসসিআইএস আরও জানায়নি—
- নতুন নিয়ম কবে থেকে কার্যকর হবে।
- ইতিমধ্যে জমা দেওয়া আবেদনগুলোর কী হবে।
- যাঁরা ফি দিয়েছেন বা মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন, তাঁরা ছাড় পাবেন কি না।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই নিয়মের তীব্র সমালোচনা করেছে। শরণার্থী ও অভিবাসীদের সহায়তা সংস্থা ‘এইচআইএএস’ বলেছে, এই নিয়মের কারণে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি এবং নির্যাতিত শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফেডারেল আদালতে এই নীতির বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে বলেও আইনজীবীরা বলছেন।
বাংলাদেশি পেশাজীবীদের জন্য পরামর্শ
পরিস্থিতি দেখে বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশি পেশাজীবীদের কিছু পরামর্শ দিয়েছেন—
১. আতঙ্কিত হবেন না। নতুন নির্দেশনা আইনে পরিবর্তন আনেনি। অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস এখনো বৈধ পথ।
২. নিজের ভিসা শ্রেণি দেখুন। এইচ-১বি ও এল-১ ভিসাধারীরা তুলনামূলক নিরাপদ।
৩. আবেদন আরও মজবুত করুন। কাজের অবদান, কর প্রদান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গবেষণা প্রকাশনা—এসবের প্রমাণ আবেদনের সঙ্গে দিন।
৪. আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন। প্রতিটি মামলা আলাদা। ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরামর্শ নিন।
৫. অভিবাসন ইতিহাস পরিষ্কার রাখুন। ভিসার মেয়াদ, কর-সংক্রান্ত কাগজপত্র, চাকরির অবস্থা—সব ঠিক রাখুন।
৬. ভ্রমণে সতর্ক হোন। আবেদন চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যাওয়া এখন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
বড় প্রেক্ষাপট
এই নিয়ম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি কঠোর করার চলমান প্রচেষ্টার একটি অংশ। গত বছর প্রশাসন কিছু শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মী এবং সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ কমিয়ে এনেছিল। গত জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এক লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান কেটো ইনস্টিটিউটের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৪-এর তুলনায় ২০২৫ সালে গ্রিন কার্ড অনুমোদন প্রায় অর্ধেক কমেছে।
শেষ কথা
মার্কিন অভিবাসন আইনজীবীদের মূল বার্তা—‘‘মেমো ও প্রেস বিজ্ঞপ্তি দুটি ভিন্ন কথা বলছে।’’ যাঁরা যোগ্য, যাঁদের ভিসা ‘দ্বৈত উদ্দেশ্যের’, যাঁদের অভিবাসন রেকর্ড পরিষ্কার—তাঁদের জন্য পথ এখনো খোলা। তবে আগের চেয়ে এখন আরও সতর্কভাবে, আরও শক্তিশালী কাগজপত্র নিয়ে আবেদন করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বাংলাদেশি পেশাজীবী, শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ—অপ্রয়োজনীয় তাড়াহুড়া বা আতঙ্ক নয়। অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে পরিকল্পিতভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ নিন।
সূত্র
১. ওয়ান নিউজ (WION) — ২৪ মে ২০২৬ ২. ইউএসসিআইএস অফিসিয়াল প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও পলিসি মেমো (পিএম-৬০২-০১৯৯) — ২১ মে ২০২৬ ৩. মার্কিন এনপিআর (NPR) — ২৩ মে ২০২৬ ৪. টাইম ম্যাগাজিন — ২৩ মে ২০২৬ ৫. সিবিএস নিউজ — ২২ মে ২০২৬ ৬. সেমাফোর — ২২ মে ২০২৬ ৭. বাউন্ডলেস ইমিগ্রেশন বিশ্লেষণ ৮. মার্থি ল ফার্ম বিশ্লেষণ ৯. এলিস ল বিশ্লেষণ ১০. হ্যারিস বিচ মুর্থা ও ডব্লিউআর ইমিগ্রেশন আইনি পর্যালোচনা ১১. টাফাপলস্কি অ্যান্ড স্মিথ এলএলপি বিশ্লেষণ ১২. প্রথম আলো ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (বাংলা)
এই প্রতিবেদন তথ্যমূলক। আইনি পরামর্শের জন্য একজন অভিজ্ঞ মার্কিন অভিবাসন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।
স্বচ্ছতার বিজ্ঞপ্তি: এই প্রতিবেদন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় ১২টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও মার্কিন সরকারি নথি বিশ্লেষণ করে তৈরি। মূল তথ্য, উদ্ধৃতি ও বিবৃতি নিচের সূত্রগুলো থেকে নেওয়া। এটি কোনো আইনি পরামর্শ নয়; ব্যক্তিগত মামলার জন্য অভিজ্ঞ অভিবাসন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
