বোলিভিয়ার সামরিক পুলিশ বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করেছে এবং সড়ক অবরোধ ভাঙতে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেছে, যা সরকারি চুক্তির পরও অব্যাহত ছিল।
১৬ মে, ২০২৬ তারিখে, ১১ দিনের অবিরাম বিক্ষোভের পর বোলিভিয়ার সেনাবাহিনী দেশজুড়ে রাস্তা পরিষ্কারের কাজ শুরু করে। এই অস্থিরতার সময়, সামরিক পুলিশ বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করে এবং অবরোধ ভাঙতে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে।
বোলিভিয়ার সামরিক পুলিশ বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করে এবং ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে ও সড়ক অবরোধ ভাঙতে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়া জানায়। এই পদক্ষেপগুলির লক্ষ্য ছিল যান চলাচল এবং জনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করা।
ব্যাপক বিক্ষোভ, যা সামরিক হস্তক্ষেপের দিকে পরিচালিত করেছিল, ১১ দিন ধরে চলেছিল। এই সমাবেশগুলি প্রধানত দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে জনগণের অসন্তোষ থেকে উদ্ভূত হয়েছিল। জ্বালানির অভাব ব্যাপক বিঘ্ন এবং জনমনে হতাশার সৃষ্টি করেছিল, যা বিস্তৃত সড়ক অবরোধের দিকে পরিচালিত করে।
গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সংকট হরমোজ প্রণালীর কার্যকর বন্ধের কারণে সৃষ্টি হয়েছিল। এই আন্তর্জাতিক ঘটনা সরাসরি বলিভিয়ার জ্বালানি সরবরাহকে প্রভাবিত করে, যা অভ্যন্তরীণ সংকটকে উস্কে দেয়। গুরুত্বপূর্ণ শিপিং রুটের বন্ধ একটি প্রভাব সৃষ্টি করে, যা দেশটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতায় অবদান রাখে।
পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য, সেনাবাহিনী কর্তৃক সর্বশেষ রাস্তা পরিষ্কারের কার্যক্রমের পূর্বে, শুক্রবার বিক্ষোভকারী গোষ্ঠীগুলির সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বলে জানা গেছে। এই কূটনৈতিক চুক্তি সত্ত্বেও, সড়ক অবরোধ চলাচল ব্যাহত করতে থাকে, যা ইঙ্গিত দেয় যে চুক্তিটি বিক্ষোভকারীদের মূল সমস্যাগুলি অবিলম্বে সমাধান করেনি।
সরকারি-বিক্ষোভকারী চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পরেও সড়ক অবরোধ অব্যাহত থাকা, কর্তৃপক্ষ যে চ্যালেঞ্জগুলির সম্মুখীন হচ্ছে তা তুলে ধরে। ১৬ মে, ২০২৬ তারিখে সেনাবাহিনীর মোতায়েন ১১ দিনের বিক্ষোভ আন্দোলন থেকে অব্যাহত বিঘ্নের সরাসরি প্রতিক্রিয়া ছিল। এই হস্তক্ষেপের লক্ষ্য ছিল শারীরিক বাধা অপসারণ করা এবং দেশব্যাপী স্বাভাবিক পরিবহন রুট পুনরায় স্থাপন করা।
সূত্র
- Al Jazeera — বলিভিয়ার সেনাবাহিনী, বিক্ষোভ, তাদের কারণ এবং কূটনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্কিত সমস্ত তথ্যসূত্র।

