এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি ৬৪ বছর বয়সে সোশ্যাল সিকিউরিটির সুবিধা নেওয়ার অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি ৭০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আগেভাগেই টাকা তোলার আর্থিক প্রভাব তুলে ধরেছেন।
এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি ৬৪ বছর বয়সে সোশ্যাল সিকিউরিটি সুবিধা দাবি করার কথা বর্ণনা করেছেন, যে সিদ্ধান্তটিকে তিনি পরে একটি সম্ভাব্য ভুল পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি সম্পূর্ণ অবসরের বয়সে পৌঁছানোর আগে সুবিধা দাবি করার দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক পরিণতি বোঝার গুরুত্বের উপর জোর দেন। [source]
লেখক উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে বহু মানুষ তাদের ব্যক্তিগত আর্থিক পরিকল্পনা থেকে বিচ্ছিন্ন। তিনি মনে করেন, এই বিচ্ছিন্নতার কারণে এমন সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে যা দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক নিরাপত্তাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। [source]
৬৪ বছরের মতো কম বয়সে সোশ্যাল সিকিউরিটির সুবিধা দাবি করলে, সম্পূর্ণ অবসরের বয়স (সাধারণত ৬৭) বা সর্বোচ্চ সুবিধার বয়স (৭০) পর্যন্ত অপেক্ষা করার তুলনায় মাসিক টাকার পরিমাণ কমে যায়। এই হ্রাস স্থায়ী এবং এটি সারাজীবনে প্রাপ্ত মোট সুবিধার পরিমাণকে প্রভাবিত করে। [source]
যারা অবসরকালীন আয়ের প্রাথমিক উৎস হিসেবে সোশ্যাল সিকিউরিটির উপর নির্ভর করেন, তাদের জন্য আগেভাগে সুবিধা দাবি করার সিদ্ধান্তের সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকতে পারে। ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত সুবিধা পেতে দেরি করলে মাসিক টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যা অবসর জীবনে খরচ মেটানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। [source]
“এটা আশ্চর্যজনক — এবং হতাশাজনক — যে কত মানুষ তাদের নিজেদের আর্থিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন।”
সূত্র
- https://www.marketwatch.com/story/i-nearly-made-a-major-misstep-i-claimed-my-social-security-benefits-at-64-instead-of-70-heres-why-e0d0edfe — লেখকের ৬৪ বছর বয়সে সোশ্যাল সিকিউরিটি দাবি করার সিদ্ধান্তের বিবরণ, আর্থিক জীবন থেকে মানুষের বিচ্ছিন্নতা বিষয়ক পর্যবেক্ষণ এবং সময়ের আগে সুবিধা দাবি করার সাধারণ প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।
